বেশির ভাগ কোচিংয়ে বকেয়া জমে যায় কারও ইচ্ছা করে না দেওয়ার কারণে নয়। মনে থাকে না, কেউ মনে করিয়ে দেয় না, আর কত বাকি তা পরিষ্কার জানা থাকে না। এই তিনটা ঠিক করলেই বড় অংশ সমাধান হয়ে যায়।
১. শেষ তারিখ সবাইকে এক রাখুন
কেউ পাঁচ তারিখে, কেউ দশ তারিখে দেবে, এমন আলগা নিয়ম রাখলে হিসাব রাখা কঠিন হয়। সবার জন্য একটাই শেষ তারিখ ঠিক করুন আর ভর্তির সময়েই অভিভাবককে বলে দিন।
২. রসিদ সঙ্গে সঙ্গে দিন
টাকা নিয়ে রসিদ না দিলে পরে দুই পক্ষেরই ভুল বোঝাবুঝি হয়। প্রতিটা পেমেন্টের একটা নম্বর দেওয়া রসিদ দিন, কাগজে হোক বা ফোনে।
৩. শেষ তারিখের আগে মনে করিয়ে দিন
তারিখ পার হওয়ার পর তাগাদা দেওয়ার চেয়ে দুই তিন দিন আগে একটা ভদ্র SMS অনেক বেশি কাজ করে। বার্তায় অঙ্ক আর শেষ তারিখ থাকলে ফোন করার দরকারই পড়ে না।
৪. কত বাকি তা এক পাতায় দেখুন
বকেয়ার তালিকা যত দিন ধরে বাকি, সেই অনুযায়ী সাজান: এক সপ্তাহ, এক মাস, দুই মাসের বেশি। দুই মাসের বেশি বাকিদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলা দরকার, বাকিদের একটা মেসেজই যথেষ্ট।
৫. প্রতিশ্রুতির তারিখ লিখে রাখুন
অভিভাবক যদি বলেন পরের সপ্তাহে দেবেন, সেটা লিখে রাখুন আর সেই দিন গেলে আবার খোঁজ নিন। মুখের কথা মনে না থাকলেই বকেয়া পুরনো হয়।
৬. সহজ উপায়ে টাকা নেওয়ার ব্যবস্থা রাখুন
অনেকে নগদ হাতে না থাকায় দেরি করেন। বিকাশ বা নগদে দেওয়ার সুযোগ থাকলে দেরি কমে।
এই ছয়টার কোনোটাই বড় খরচের ব্যাপার নয়। দরকার শুধু একটা নিয়ম আর সেটা প্রতি মাসে একইভাবে চালানো।
নিজের কোচিংয়ে চালিয়ে দেখতে চান?
ফ্রি ট্রায়ালের আবেদন
